প্রকাশিত : ১৯:৪৭
২০ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪০
২১ জুন ২০২৬
গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন দত্তেরবাজার স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমানের ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্য সম্পর্কিত গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ক্ষমতাচ্যুৎ পলাতক ফ্যাসিস্টদের বিশেষ সহযোগী হিসেবেও হাবিবুর রহমান ওরফে গোলাপ মাষ্টার সমধিক পরিচিত।
তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি গুরুতর অভিযোাগের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এনটিআরসির ভুয়া সুপারিশে ব্যাকডেটে নিবন্ধনহীন শিক্ষক নিয়োগ। এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নিবন্ধন সার্টিফিকেট এবং এনটিআরসির সুপারিশ বাধ্যতামূলক। কিন্তু নিবন্ধন নেই এমন লোকদের কাছ থেকে প্রিন্সিপাল মোটা অংকের টাকা খেয়ে সহকারী শিক্ষক পদে ৩ জন, প্রভাষক পদে ৩ জন ও ল্যাব সহকারী পদে ১ জনকে নিয়েগ দিয়েছেন।
প্রিন্সিপাল এসব ভুয়া নিয়োগে এনটিআরসির স্বাক্ষর জাল করে কোনো প্রকার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা ছাড়াই ব্যাকডেটে সম্পুর্ণ অবৈধ পন্থা অনুসরণ করেছেন। তার এই অনিয়ম ও দুর্নীতিতে নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণই সংক্ষুব্ধ হন। দত্তেরবাজার স্কুল এন্ড কলেজের ২৬ জন শিক্ষকের স্বাক্ষরিত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি বরাবরে একটি অভিযোগপত্রও পেরণ করা হয়, যার অনুালিপি নিচে তুলে ধরা হল:
শুধুই কি নিয়োগ বাণিজ্য? এসএসসি (SSC) পরীক্ষার ফরম ফিলাপেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তিনি দ্বিগুণ/তিনগুণ টাকা গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের একটা মূল ভবন ছিল, যার মধ্যে ৬-১০ স্কুল বিভাগের সকল ক্লাসরুম ছিল। কিন্তু প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান সংস্কারের নামে ভবনটি ভেঙে ফেলেন এবং তার কোনো হিসাবও দেওয়া হয়নি। ভয়াবহ ব্যাপার হলো, সিক্স এবং সেভেনের এখন কোনো ক্লাসরুম নেই। প্রাইমারী স্কুল ছুটির পর কিংবা খোলা আকাশের নিচে ক্লাস নিতে হচ্ছে শিক্ষকবৃন্দের।
ফ্যাসিস্ট-দোসরদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে নিজের বিশেষ ফায়দা হাসিল করার ক্ষেত্রে প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান ওরফে গোলাপ মাষ্টার সাহেব ভীষণ পারঙ্গম। তিনি ফ্যাসিস্ট আওমী এমপি গোলন্দাজ বাহিনীর প্রধান বাবেল গোলন্দাজকে স্বর্ণের নৌকা উপহার এবং ক্রেষ্ট প্রদান করেন।