প্রকাশিত : ০৭:২২
৩১ অক্টোবর ২০২৬
ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতির দায় ইউরোপীয় দেশগুলোকে বহন করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ি। ইসরাইলের সামরিক কর্মকাণ্ডে সমর্থন দেওয়ার পর যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতি নিয়ে ইউরোপের অভিযোগকে দ্বিচারিতা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রেজায়ি বলেন, ইউরোপ গতকাল ইসরাইলের ‘নোংরা কাজকে’ সমর্থন দিয়ে গর্ব করেছিল। আর আজ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে নিজেদের হাজার কোটি ডলারের ক্ষতি নিয়ে অভিযোগ করছে।
তিনি আরও বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধে সমর্থন দেওয়ার সময় কি ভেবেছিলেন, এর প্রভাব আপনাদের ওপর পড়বে না? যুদ্ধ ও সন্ত্রাসের একটা মূল্য আছে। এবার সেই মূল্য দেওয়ার পালা আপনাদের।’
তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরুর কূটনৈতিক তৎপরতা যখন জোরদার হচ্ছে, ঠিক তখনই ইউরোপকে উদ্দেশ করে এমন হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার দাবি করেছেন, ইরান আবারও ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায়। চলমান সংঘাতের কারণে তেহরান আর্থিক সংকটে পড়েছে এবং দেশটির নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের বেতন দেওয়ার সামর্থ্যও কমে গেছে বলে দাবি করেন তিনি।
শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘তারা আলোচনা করতে চায়। তারা বারবার আলোচনার কথা বলছে।’
ইরান বড় ধরনের সমস্যায় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশটি তাদের সেনা ও পুলিশ সদস্যদের বেতন দিতে পারছে না।
চলমান সংঘাতকে ‘প্রচলিত যুদ্ধ নয়’ বলে বর্ণনা করেন ট্রাম্প। তার দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাতে যুক্তরাষ্ট্র তুলনামূলকভাবে খুব কম অর্থ ব্যয় করছে।
ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই এ সামরিক ব্যয় করা হচ্ছে বলে যুক্তি দেন তিনি। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ থেকে পাওয়া সুবিধা ইরানবিরোধী অভিযানের ব্যয়ের চেয়েও বেশি বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সূত্র: সামা টিভি