প্রকাশিত :  ১৮:৫৪
০৮ অক্টোবর ২০২৬

দেশে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি প্রসারে কাজ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

দেশে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি প্রসারে কাজ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

শিশুদের মেধা বিকাশ, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের পাশাপাশি দেশে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি বা সৃজনশীল অর্থনীতি প্রসারে বর্তমান সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, শিশু একাডেমি হচ্ছে এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যা শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনের পথরেখা নির্ধারণ করে। দেশের শিশুরা কীভাবে গড়ে উঠবে এবং তাদের জীবন গঠনে সরকার কী ভাবছে তারই প্রতিফলন ঘটে এ প্রতিষ্ঠানে।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী শিশুদের মানবিক গুণাবলি অর্জনের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বলেন, শিশুদের ছোটবেলা থেকেই পরিবার, প্রকৃতি, পরিবেশ, পশুপাখি ও কীটপতঙ্গের প্রতি অনুভুতিশীল হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত মানবিক একজন মানুষ এবং তিনি জলবায়ু, পরিবেশ ও প্রাণিসম্পদ রক্ষায় প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পে বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেছেন।

নারীর ক্ষমতায়ন ও ছেলে-মেয়ের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী নিজের জীবনের উদাহরণ দেন। তিনি জানান, তাঁর ছেলে ও মেয়ে দুজনকেই উচ্চশিক্ষার জন্য সমান সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং সম্পত্তিতেও তাদের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। ছেলে-মেয়ের মধ্যে কোনো বিভেদ না রেখে পরিবার থেকেই এ চর্চা শুরু করার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, শিল্প ও সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশজুড়ে শুরু হওয়া নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-এ প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার ছেলে-মেয়ে অংশ নিয়েছে, যার মধ্যে ৪৫ হাজারের বেশি মেয়ে। কেবল পড়াশোনা নয় আর্ট, মিউজিক, থিয়েটার ও স্পোর্টসে শিশুদের ভালো করতে হবে। একটি দেশের আসল শক্তি তার সফট পাওয়ার।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা অর্থমন্ত্রণালয় থেকে ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ নামের নতুন এক দিগন্ত উন্মোচন করতে যাচ্ছি। এর মাধ্যমে দেশের থিয়েটার, আর্ট, ফিল্মের পাশাপাশি প্রান্তিক পর্যায়ের তাঁতি, কামার, কুমারের মতো কারিগরদের জাতীয় অর্থনীতিতে যুক্ত ও সমর্থন দেওয়া হবে, যাতে প্রতিটি নাগরিক সমান সুযোগ পায়।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব ড. রওশন আরা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সেলিমা রহমান, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক মোছা. আরজু আরা বেগম। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহনকারী বিজয়ী শিশুদের হাতে পুরস্কার তুলেদেন অর্থমন্ত্রী।



Leave Your Comments




জাতীয় এর আরও খবর