প্রকাশিত : ১৮:৩৪
০৩ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রাম-২, ফটিকছড়ি আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর এমপির লন্ডন সফর উপলক্ষে এক গণসংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফটিকছড়ি কমিউনিটি ইউকের উদ্যোগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার লন্ডনের একটি হলে অনুষ্ঠিত এ সভায় যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ফটিকছড়ির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফটিকছড়ি কমিউনিটি ইউকের সেক্রেটারি শেখ নাসির ও জয়েন্ট সেক্রেটারি সরওয়ার হোসেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সলিসিটর জাগীর আলম।
সভায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং দোয়া পরিচালনা করেন সংগঠনের সহ সভাপতি আজমল করিম জুয়েল।
পরে ফটিকছড়ি কমিউনিটি ইউকের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি আখতারুন আলম। স্বাগত বক্তব্যে তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ফটিকছড়ির প্রবাসীদের পারস্পরিক সম্পর্ক, ঐক্য এবং দেশের মানুষের সঙ্গে প্রবাসীদের সম্পৃক্ততার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।
সভায় সংবর্ধিত অতিথি সরোয়ার আলমগীর বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের যেমন প্রবাসীরা বাংলাদেশের জন্য অনন্য অবদান রেখেছেন এখনো তারা নিঃস্বার্থভাবে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছেন। তিনি প্রবাসীদের যেকোন সমস্যা বিশেষ করে বিমানবন্দরে হয়রানি এবং জমিজমা সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সমিতি ইউকের সাবেক চেয়ারপার্সন নাজিম উদ্দিন, গ্রেটার চট্টগ্রাম সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ইসহাক এবং জেইন গ্লোবালের ডাইরেক্টর সাজ্জাদুল ইসলাম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি কমিউনিটি ইউকের নেতৃবৃন্দসহ যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সরোয়ার আলমগীর এমপির সন্তান সাইফ হোসেন তানবির, সহ সভাপতি আলী রেজা, ট্রেজারার এমদাদ হোসেন, সৈয়দ রাসেল, ওয়াহিদ পারভেজ, জয়নাল আবেদীন, মীরা বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলম, আলতাফ চৌধুরী, সাইফুল আজম, ইয়াসিন আলতাফ, নিগাত সুলতানা, ব্যারিস্টার ইকবাল আলম, ড. আব্দুল আজিম শাহ, কোরবান আলী, বখতিয়ার উদ্দিন, দীল মোহাম্মদ, শাহীন চৌধুরী, মনির মাহমুদ, সুজন বড়ুয়া, ওসমান ফয়সাল, সেলিম হোসেন, শওকত আকবর, মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে ফটিকছড়ির উন্নয়ন, প্রবাসীদের সঙ্গে দেশের মানুষের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং পারস্পরিক মতবিনিময়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।