প্রকাশিত : ০৬:৩৩
২৬ আগষ্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:০১
২৬ আগষ্ট ২০২৬
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত এই দিনটি মুসলিমরা যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদায় পালন করছেন।
আরবি বর্ষের রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) জন্মগ্রহণ করেন। ৬৩ বছরের জীবনে মানবজাতিকে ইহকাল ও পরকালের মুক্তির পথ দেখিয়ে একই তারিখে তিনি ইন্তেকাল করেন।
আইয়ামে জাহেলিয়াতের অন্ধকারে ডুবে থাকা আরব সমাজে আলোর দিশারি হয়ে আবির্ভূত হন মহানবী (সা.)। মক্কার কুরাইশ গোত্রের একটি সাধারণ পরিবারে জন্ম নেওয়া হজরত মুহাম্মদ (সা.) অল্প বয়সেই সত্যবাদিতা ও সততার প্রতীক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ক্ষমাশীলতা, দানশীলতা, সহিষ্ণুতা ও মানবিক গুণাবলির মাধ্যমে তিনি হয়ে ওঠেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ।
৪০ বছর বয়সে নবুয়ত লাভের পর দীর্ঘ ২৩ বছর তিনি ইসলামের বাণী প্রচার করেন। শুধু আধ্যাত্মিক শিক্ষাই নয়, মদিনায় ন্যায়, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে একটি কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দৃষ্টান্তও স্থাপন করেন তিনি।
সারাবিশ্বের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরাও দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করছেন। ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, কোরআনখানি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। অনেকে নফল নামাজ আদায় ও রোজা রাখছেন।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সাজানো হয়েছে কালেমাখচিত পতাকা ও জাতীয় পতাকায়।
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণীতে দেশবাসী এবং মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বাণীতে মহানবী (সা.) এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা-বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। দিনটি উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি।