প্রকাশিত : ০৫:৩০
২১ আগষ্ট ২০২৬
নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সোকোতো রাজ্যে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নৌকাটিতে ৭০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাদের বড় একটি অংশ ছিল শিশু। দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা যায়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির পুলিশের মুখপাত্র আহমদ রুফাই বিবিসিকে জানান, গোরোনির গোরাউয়ের কাছে ৪৬টি মৃতদেহ পাওয়া গেছে। ১৬ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১৫ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
রুফাই আরো বলেন, এলাকাটিতে পৌঁছানো কঠিন এবং নিরাপত্তা সংস্থা ও জরুরি পরিষেবাগুলো ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছে।
এদিকে একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে রয়টার্স জানায়, নৌকায় থাকা শিশুরা খামারের মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে ভ্রমণ করছিল, যারা ধান কাটার কাজে যাচ্ছিলেন।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তিনি একটি কমিউনিটি মসজিদের সামনে দাফনের জন্য রাখা ৫০টি মৃতদেহ দেখেছেন, যার মধ্যে অনেকগুলো মাদুর ও কাপড়ে মোড়ানো ছিল।
নাইজেরিয়ার জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা (নেমা)-র মুখপাত্র ইজেকিয়েল মানজো বিবিসিকে বলেছেন, ‘গোরাউ একটি অত্যন্ত দুর্গম স্থান।
নাইজেরিয়ায় নৌকা দুর্ঘটনা একটি সাধারণ ঘটনা, এবং এই মৃত্যুর জন্য প্রায়শই অতিরিক্ত যাত্রী, দুর্বলভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা নৌকা এবং নিরাপত্তা বিধি প্রয়োগে শিথিলতাকে দায়ী করা হয়। গত মাসে জিগাওয়া রাজ্যে একটি নৌকা উল্টে গিয়ে অন্তত পাঁচজন ডুবে মারা যান।
এর আগে গত জানুয়ারিতে জিগাওয়া থেকে ইয়োবে রাজ্যে কৃষক ও জেলেদের বহনকারী একটি নৌকা উল্টে গিয়ে অন্তত ২৬ জন ডুবে মারা যান।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ২০০ জনেরও বেশি যাত্রী বহনকারী একটি নৌকা উল্টে যাওয়ার পর নাইজার নদী থেকে ৫৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
তথ্যসূত্র : বিবিসি