প্রকাশিত : ১০:২১
১৩ আগষ্ট ২০২৬
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আর্থিক অব্যবস্থাপনা, করপোরেট সুশাসনের ঘাটতি, অনিয়মিত নিয়োগ ও সিকিউরিটিজে লেনদেনে সম্পৃক্ততার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ বিষয়ে একটি আদেশও জারি করেছে কমিশন।
অনুসন্ধান কর্মকর্তাদের আদেশ জারির তারিখ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে অনুসন্ধান সম্পন্ন করতে হবে।
সম্প্রতি জারি করা এসংক্রান্ত এক আদেশে কমিশন জানিয়েছে, পুঁজিবাজারের বৃহত্তর স্বার্থ এবং স্টক এক্সচেঞ্জের সুষ্ঠু প্রশাসন নিশ্চিত করতে এ অনুসন্ধান পরিচালনা করা প্রয়োজন।
কমিশনের আদেশে বলা হয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের একজন শেয়ারহোল্ডার সদস্যের উত্থাপিত অভিযোগে ব্যাপক আর্থিক অব্যবস্থাপনা, করপোরেট সুশাসনের অভাব এবং অনিয়মিত নিয়োগের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা, মহাব্যবস্থাপকসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা সিকিউরিটিজে লেনদেন বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে। শীর্ষ কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্য বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পুঁজিবাজারের এমন কোনো ব্যবসায় যুক্ত আছেন কি না, যেখানে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আস্থাভিত্তিক সম্পর্ক রয়েছে, তা-ও অনুসন্ধান করা হবে।
শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগের ক্ষেত্রেও অনুসন্ধান হবে। বিশেষ করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সংশ্লিষ্ট কমিটি, মনোনয়ন ও পারিশ্রমিক কমিটি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ভূমিকা পরীক্ষা করা হবে।
চুক্তিভিত্তিক পদ, উপদেষ্টা এবং শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, সেটিও অনুসন্ধানের বিষয় হিসেবে রাখা হয়েছে।
কমিশনের আদেশে আরো বলা হয়েছে, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ধারা ১৯ অনুযায়ী গোপনীয়তা রক্ষার বিধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা ও শীর্ষ কর্মকর্তারা যথাযথভাবে মেনে চলেছেন কি না, তা পরীক্ষা করা হবে।
অনুসন্ধান পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের তিন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন পরিচালক এ এস এম মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ শামসুর রহমান এবং সহকারী পরিচালক মো. মতিউর রহমান।