প্রকাশিত :  ১১:০৯
১১ আগষ্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১১:১৫
১১ আগষ্ট ২০২৬

পুঁজিবাজারে ফিরছে আস্থা, এখন দরকার দায়িত্বশীলতার নতুন অধ্যায়

পুঁজিবাজারে ফিরছে আস্থা, এখন দরকার দায়িত্বশীলতার নতুন অধ্যায়

✍️ রেজুয়ান আহম্মেদ 

বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি হলো, আগামী দিনের শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মূলধন আসবে কোথা থেকে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের বারবার পুঁজিবাজারের কাছেই ফিরে আসতে হয়।

একটি শক্তিশালী অর্থনীতির জন্য শুধু ব্যাংক-নির্ভর অর্থায়ন যথেষ্ট নয়। ব্যাংক মানুষের স্বল্পমেয়াদি আমানত সংগ্রহ করে। অথচ শিল্প, অবকাঠামো ও নতুন ব্যবসায় বিনিয়োগের প্রয়োজন হয় দীর্ঘমেয়াদি মূলধনের। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য না থাকলে অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি হয়। খেলাপি ঋণ বাড়ে, ব্যাংকের ঝুঁকি বাড়ে, অর্থের মূল্য নিয়ে চাপ তৈরি হয়। তাই একটি সুস্থ, গভীর ও তারল্যপূর্ণ পুঁজিবাজার কোনো বিলাসিতা নয়, বরং অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার অন্যতম ভিত্তি।

সেই জায়গা থেকেই বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক পরিবর্তনকে দেখতে হবে।

দীর্ঘ সময়ের স্থবিরতা, তারল্য সংকট এবং বিনিয়োগকারীদের হতাশার পর বাজারে যে কিছুটা প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যাচ্ছে, সেটি নিছক সূচকের ওঠানামা হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এর সঙ্গে মানুষের মনস্তত্ত্ব জড়িয়ে আছে। একজন বিনিয়োগকারী যখন দেখেন বাজারে লেনদেন হচ্ছে, ভালো কোম্পানির শেয়ারে ক্রেতা আছে এবং প্রয়োজনে তিনি তাঁর বিনিয়োগ থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন, তখন তাঁর মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি তৈরি হয়। আর আস্থাই হলো বাজারের সবচেয়ে বড় মূলধন।

ফ্লোর প্রাইস-সহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা কোনো সংকটময় সময়ে বাজারকে সাময়িকভাবে রক্ষা করতে পারে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও তৈরি হয়। ক্রেতা ও বিক্রেতার স্বাভাবিক সম্পর্ক বাধাগ্রস্ত হলে বাজারের প্রাণশক্তি কমে যায়। শেয়ার কাগজে মূল্যবান থাকে, কিন্তু বাস্তবে তা নগদায়নের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে। বিনিয়োগকারীর কাছে তখন বাজার একটি জীবন্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা না হয়ে আটকে থাকা সম্পদের জায়গায় পরিণত হয়।

সাম্প্রতিক নীতিগত পরিবর্তন এবং লেনদেনের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ তাই বিনিয়োগকারীদের মনে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে। এটি আশাব্যঞ্জক। তবে এই আশাকে স্থায়ী আস্থায় রূপ দিতে হলে এখন প্রয়োজন আরও বড় একটি পরিবর্তন। সেটি হলো নিয়ন্ত্রক সংস্থা, বাজারের অংশীজন এবং গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও দায়িত্বশীলতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা শুধু পাহারাদার নয়, বাজারের পথপ্রদর্শকও

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের প্রধান দায়িত্ব বাজারে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা, বিনিয়োগকারীর স্বার্থ রক্ষা করা এবং অনিয়ম প্রতিরোধ করা। এই দায়িত্ব পালনে কঠোরতা প্রয়োজন। কারসাজি, প্রতারণা, গুজব ছড়ানো কিংবা বিনিয়োগকারীদের ঠকানোর কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়।

কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। বাজার নিয়ন্ত্রণ আর বাজারকে ভয় দেখানো এক বিষয় নয়।

শাস্তি অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বার্তা দেয়। কিন্তু শুধু শাস্তি দিয়ে একটি বাজার বড় হয় না। একটি বাজার বড় হয় যখন সেখানে বিনিয়োগকারী নিরাপদ বোধ করেন, উদ্যোক্তা মূলধন সংগ্রহের সুযোগ পান, মধ্যস্থতাকারীরা স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যবসা করেন এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে আগ্রহী হন।

তাই নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা হওয়া উচিত একই সঙ্গে কঠোর এবং সহযোগিতামূলক। যেখানে আইন ভাঙলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেখানে আইন মেনে চলা প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে যাওয়ার পথও করে দিতে হবে।

বাজারের কোনো অংশীজনের সঙ্গে মতবিরোধ হলে তার সমাধান হতে পারে আলোচনায়, তথ্য যাচাইয়ে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে। কারণ একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বাজারের অংশীজনের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত কখনোই বিনিয়োগকারীর জন্য ভালো ফল বয়ে আনে না।

আইনের শাসন অবশ্যই প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। কিন্তু সেই আইনের প্রয়োগ হতে হবে ন্যায়সংগত, তথ্যনির্ভর, স্বচ্ছ এবং পূর্বানুমানযোগ্য। বিনিয়োগকারী যেন মনে করেন, এই বাজারে নিয়ম সবার জন্য সমান। এ বিশ্বাস তৈরি করতে পারলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতি আস্থাও বাড়বে, বাজারের প্রতিও আস্থা বাড়বে।

তারল্য হলো বাজারের রক্তপ্রবাহ

পুঁজিবাজারের আরেকটি মৌলিক সত্য হলো, তারল্য ছাড়া কোনো বাজার দীর্ঘদিন সচল থাকতে পারে না।

একজন বিনিয়োগকারী শেয়ার কিনলেও প্রয়োজনের সময় বিক্রি করতে না পারলে সেই বাজারে তাঁর আস্থা কতটা থাকবে? এই প্রশ্নের উত্তরই তারল্যের গুরুত্ব বোঝার জন্য যথেষ্ট।

বিশ্বের উন্নত পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক মার্কেট মেকাররা নিয়মিত ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে বাজারে তারল্য ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশেও একটি সুসংগঠিত ও স্বচ্ছ মার্কেট মেকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

বাজারে সক্রিয় বড় বিনিয়োগকারী ও ট্রেডারদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। তাঁদের প্রত্যেককে একই চোখে দেখা উচিত নয়। কেউ যদি আইন মেনে, স্বচ্ছভাবে এবং বাজারের নিয়ম অনুসরণ করে লেনদেন করেন, তবে তাঁর মূলধন বাজারে তারল্য তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

অবশ্যই বড় বিনিয়োগকারী হওয়া কোনো ব্যক্তিকে আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেয় না। বরং বড় লেনদেনের সঙ্গে আরও বেশি স্বচ্ছতা প্রয়োজন। কিন্তু একই সঙ্গে এটিও সত্য যে, বাজারে তারল্য সৃষ্টি করা প্রতিটি সক্রিয় বিনিয়োগকারীকে সন্দেহের চোখে দেখলে বাজারের স্বাভাবিক গতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

তাই প্রয়োজন নিষেধাজ্ঞার সংস্কৃতি নয়, বরং নিয়মের মধ্যে রেখে তারল্য সৃষ্টির সংস্কৃতি।

বিএসইসি নিজে শেয়ার কিনে বাজারের সূচক বাড়াতে পারে না। বাজারের সূচক বাড়ে যখন অর্থনীতি, কোম্পানির আয়, বিনিয়োগকারীর প্রত্যাশা এবং বাজারে অর্থের প্রবাহ একসঙ্গে ইতিবাচক দিকে যায়। সেই প্রবাহকে সুস্থ ও স্বচ্ছ রাখাই নিয়ন্ত্রকের বড় দায়িত্ব।

বাজারের সবচেয়ে বড় সম্পদ বিনিয়োগকারীর মন

পুঁজিবাজারে অর্থের পাশাপাশি মনস্তত্ত্বও কাজ করে। একটি ভালো খবর বিনিয়োগকারীর মনে আশার আলো জ্বালাতে পারে। আবার অসম্পূর্ণ বা অতিরঞ্জিত একটি খবর মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতে পারে।

এখানেই গণমাধ্যমের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুঁজিবাজারের জন্য অপরিহার্য। অনিয়ম, দুর্নীতি, কারসাজি কিংবা বিনিয়োগকারীর স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড অবশ্যই সংবাদে আসবে। গণমাধ্যমের কাজ সত্য প্রকাশ করা। কিন্তু সত্য প্রকাশের সঙ্গে তথ্যের পূর্ণতা, প্রেক্ষাপট এবং ভারসাম্যও জরুরি।

একটি কোম্পানির কোনো সমস্যা থাকলে সেটি যেমন সংবাদ, তেমনি সেই কোম্পানির আয়, সম্পদ, ব্যবসার ভবিষ্যৎ, ঋণ পরিস্থিতি, নগদ প্রবাহ এবং করপোরেট সুশাসনের উন্নতিও সংবাদ।

শুধু নেতিবাচক তথ্য দিয়ে একটি বাজারের সম্পূর্ণ ছবি পাওয়া যায় না।

বাংলাদেশের তালিকাভুক্ত বহু প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা, মুনাফা ও কার্যক্রমে যে শক্তি রয়েছে, সেটিও আলোচনায় আসা প্রয়োজন। ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি এবং অন্যান্য মৌলভিত্তিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের ভালো ফলাফল দেখায় যে বাংলাদেশের করপোরেট অর্থনীতিতে এখনও যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

সেই সম্ভাবনাকে সামনে আনা মানে কারও পক্ষ নেওয়া নয়। বরং তথ্যের সব দিক তুলে ধরা।

অতীতের ভুল থেকে ভবিষ্যতের শিক্ষা

২০১০ সালের বাজারধস বাংলাদেশের বিনিয়োগকারীদের মনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। সেই ক্ষত এখনও পুরোপুরি শুকায়নি। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন নীতি, বাজার পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক সংকট সেই আস্থাকে বারবার পরীক্ষা করেছে।

কিন্তু একটি জাতি কেবল তার ব্যর্থতার ইতিহাস দিয়ে ভবিষ্যৎ নির্মাণ করে না। বরং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন পথ তৈরি করে।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রেও তাই হওয়া উচিত।

আমাদের অতীত ভুলতে হবে না। বরং সেই ভুলের দিকে তাকিয়ে বুঝতে হবে, কোথায় নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন ছিল, কোথায় বাজারের স্বাভাবিক গতিকে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে, কোথায় বিনিয়োগকারীদের তথ্যের ঘাটতি ছিল এবং কোথায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানো দরকার ছিল।

ভুল স্বীকার করা দুর্বলতা নয়। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়াই শক্তি।

সামনে যে পথ

বাংলাদেশ যদি সত্যিই শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে চায়, তাহলে একটি শক্তিশালী পুঁজিবাজারের কোনো বিকল্প নেই।

এর জন্য কয়েকটি বিষয় অত্যন্ত জরুরি।

প্রথমত, নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কঠোরতার সঙ্গে আস্থা তৈরির কাজও করতে হবে। আইন সবার জন্য সমান হবে এবং সিদ্ধান্ত হবে তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে।

দ্বিতীয়ত, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। পেনশন ফান্ড, মিউচুয়াল ফান্ড, বীমা কোম্পানি এবং অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি তহবিলকে বাজারে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করা দরকার।

তৃতীয়ত, স্বচ্ছ ও প্রাতিষ্ঠানিক মার্কেট মেকিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এতে তারল্য বাড়বে এবং অস্বাভাবিক ওঠানামা মোকাবিলায় বাজার আরও সক্ষম হবে।

চতুর্থত, বাজারে নতুন আর্থিক পণ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ বাড়াতে হবে। সুকুক, বন্ড, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ, মিউচুয়াল ফান্ডসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি উপকরণের বিকাশ বিনিয়োগকারীদের জন্য বিকল্প তৈরি করবে।

পঞ্চমত, গণমাধ্যমকে আরও তথ্যভিত্তিক, দায়িত্বশীল এবং ভারসাম্যপূর্ণ হতে হবে। সংবাদে সত্য থাকবে, অনুসন্ধান থাকবে, প্রশ্ন থাকবে। পাশাপাশি থাকবে অর্থনীতির সম্ভাবনার প্রতি দায়িত্বশীল দৃষ্টিও।

সবশেষে প্রয়োজন একটি মানসিক পরিবর্তন।

পুঁজিবাজারকে শুধু শেয়ারদরের ওঠানামার জায়গা হিসেবে দেখলে চলবে না। এটি দেশের উদ্যোক্তা, শিল্প, কর্মসংস্থান এবং ভবিষ্যতের সঙ্গে যুক্ত একটি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান।

একজন বিনিয়োগকারী যখন একটি কোম্পানির শেয়ার কেনেন, তিনি শুধু একটি কাগজ কেনেন না। তিনি সেই কোম্পানির ভবিষ্যতের ওপর আস্থা রাখেন। একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান যখন বাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করে, তখন সে শুধু টাকা পায় না, তার সম্প্রসারণের সুযোগও পায়। সেই সম্প্রসারণ নতুন কারখানা তৈরি করতে পারে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, একটি পরিবারের আয় বাড়াতে পারে।

তাই পুঁজিবাজারের প্রতিটি ভালো খবরের পেছনে আসলে মানুষের জীবনের একটি সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে।

আজ বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের সামনে সেই সম্ভাবনার দরজা আবার কিছুটা খুলেছে। দরজাটি যেন আবার বন্ধ না হয়, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা আস্থা তৈরি করুক, বিনিয়োগকারী দায়িত্বশীল হোন, বাজারের বড় অংশীজনেরা স্বচ্ছতার সঙ্গে তারল্য জোগান, উদ্যোক্তারা সুশাসন নিশ্চিত করুন এবং গণমাধ্যম সত্যের পাশাপাশি সম্ভাবনাকেও তুলে ধরুক।

তাহলেই পুঁজিবাজার কেবল সূচকের একটি সংখ্যা থাকবে না। এটি হয়ে উঠবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বপ্নের একটি জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

আস্থা এক দিনে তৈরি হয় না। কিন্তু একদিনেই ভেঙে যেতে পারে। আর একবার ভেঙে যাওয়া আস্থা পুনর্গঠন করতে লাগে সততা, সময় এবং সম্মিলিত দায়িত্ববোধ।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের সামনে এখন সেই পুনর্গঠনের সুযোগ এসেছে।

এই সুযোগ আমাদের হাতছাড়া করা উচিত নয়।


Leave Your Comments




পুঁজি বাজার এর আরও খবর