প্রকাশিত : ১৯:৩৫
২২ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্যপদ বহাল থাকবে কি না—এ বিষয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। তিনি বলেন, কোনো সদস্য দল থেকে বহিষ্কৃত হলে তার সংসদ সদস্যপদও বাতিল হতে পারে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসা সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে জামায়াতে ইসলামী। মূলত এরপর থেকেই তার এমপি পদ নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে জার্মান মিডিয়া ডয়েচে ভেলেকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, বহিষ্কার যদি করে থাকে তার সংসদ সদস্য পদও থাকবে না। থাকবে না এই জন্য, এটা নিয়ে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে আছে- কোনো লোক যদি স্বতন্ত্র হয়েও একটি দলে জয়েন করে, ধরে নিতে হবে সে সেই দলের। এবং সেখানে বহিষ্কার যদি করে থাকে তাহলে পার্টির নো মোর মেম্বার। সেই হিসেবে উনি ওনার পদ হারাবেন।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনার পদ হারানোর কথা ঘোষণা দেবেন। এই সিদ্ধান্তটা দেবেই নির্বাচন কমিশন।
গাজী নজরুল ইসলামের বহিষ্কারকে কেন্দ্র করে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যা নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ভিন্ন ভিন্ন মতামত দিয়েছেন। কেউ মনে করছেন, দল থেকে বহিষ্কার হওয়া আর দলত্যাগ এক বিষয় নয়। আবার অন্যদের মতে, দলীয় সদস্যপদ হারালে সংসদ সদস্যপদও বহাল থাকার সুযোগ নেই।
উল্লেখ্য, এমন বাস্তবতায় গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্যপদ বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়ে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
সূত্র: ডয়েচে ভেলে