প্রকাশিত :  ০৭:৪৩
২৮ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:৩০
২৮ মে ২০২৬

ঝুম বৃষ্টিতে শোলাকিয়া ঈদগায় ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত

 ঝুম বৃষ্টিতে শোলাকিয়া ঈদগায় ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত

ঝুম বৃষ্টির মধ্যেই কিশোরগঞ্জর ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে  অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৯৯তম পবিত্র ঈদুল আজহার বৃহত্তম জামাত। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে মাঠ ভেজা থাকলেও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে সকাল ৯টায় জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

জামাতে ইমামতি করেন শহরের বড় বাজার জামে মসজিদের খতিব মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ। নামাজের দ্বিতীয় রাকাত থেকেই শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। ফলে মুসল্লিরা জুবুথুবু হয়েই নামাজ আদায় করেন।

জামাতের আগে মুসল্লিদের ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের এমপি মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের এমপি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইশতিয়াক ইমন। 

শোলাকিয়ার ঐতিহ্য অনুযায়ী জামাত শুরুর ১০ মিনিট আগে তিনটি, পাঁচ মিনিট আগে দুটি এবং এক মিনিট আগে একটি শটগানের গুলি ছুড়ে জামাত শুরুর সংকেত দেওয়া হয়। প্রথম তিনটি গুলি ছোড়েন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।

জামাতের নিরাপত্তা নিশ্চিতে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মোতায়েন ছিল বিপুল সংখ্যক পুলিশ, দুই প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাব, সিআইডি ও পিবিআই সদস্য। এছাড়া ড্রোন ক্যামেরা, সিসি ক্যামেরা, ওয়াচটাওয়ার, আর্চওয়ে, মেটাল ডিটেক্টর এবং বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলও প্রস্তুত ছিল।

বরাবরের মত এবারও দূরবর্তী মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ভৈরব ও ময়মনসিংহ থেকে সকালে দু’টি শোলাকিয়া স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করে রেলওয়ে বিভাগ। তবে পশু কোরবানির বিষয় থাকে বলে ঈদুল আজহার জামাতে ঈদুল ফিতরের তুলনায় মুসল্লির সমাগম কম হয়েছে।

নামাজ শেষে মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও দেশের কল্যাণ কামনা করা হয়। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও প্রয়াত জাতীয় নেতাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।



Leave Your Comments




জাতীয় এর আরও খবর