প্রকাশিত :  ১৫:০১
১১ এপ্রিল ২০২৬

ভূ-রাজনৈতিক উত্তাপ ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক বায়ুপ্রবাহ: রোববারের পুঁজিবাজারের গতিপ্রকৃতি ও কৌশলগত বিনিয়োগের রূপরেখা

ভূ-রাজনৈতিক উত্তাপ ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক বায়ুপ্রবাহ: রোববারের পুঁজিবাজারের গতিপ্রকৃতি ও কৌশলগত বিনিয়োগের রূপরেখা

✍️ রেজুয়ান আহম্মেদ | অর্থনীতি 

আগামীকাল, ১২ এপ্রিল, রোববার। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে যাঁদের বিনিয়োগ আছে, তাঁদের জন্য দিনটি নিছক আরেকটি কার্যদিবস নয়। বরং এটা হয়ে দাঁড়াবে ধৈর্য, কৌশলগত বিচক্ষণতা আর দূরদর্শিতার এক কঠিন পরীক্ষা। বৃহস্পতিবারের লেনদেন-পরবর্তী বাস্তবতা এমন একটা জটিল সমীকরণ তৈরি করে ফেলেছে, যা আগামীকালের বাজারের গতিপথকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এক দিনেই ৬০.৩ পয়েন্ট (১.১৩ শতাংশ) হ্রাস পেয়ে ৫ হাজার ২৫৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এতে উদ্বেগ বেড়েছে। কিন্তু শুধু সূচকের পতন দেখে বাজারের প্রকৃত স্বাস্থ্য বোঝা মুশকিল। পৃষ্ঠের নিচে লুকিয়ে আছে বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি, সামষ্টিক অর্থনীতির ওঠাপড়া আর নিয়ন্ত্রক সংস্থার সংস্কার উদ্যোগ—এই তিন মিলে আগামীকালের লেনদেনের দিক নির্ধারণ করবে।

বৃহস্পতিবারের পতনটা আসলে কী ছিল?

মূল কথা হলো, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়াই বৃহস্পতিবারের পতনের মূল কারণ। ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা ‘রিস্ক-অফ’ মানসিকতায় চলে যান। তখনই তৈরি হয় ব্যাপক বিক্রয়চাপ। এই ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা শুধু বাংলাদেশের বাজার নয়, পুরো এশীয় বাজার এবং বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের দামকেও অস্থিতিশীল করবে। বৃহস্পতিবার লেনদেন হওয়া ৩৯৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে মাত্র ৬৮টির দাম বেড়েছে, ৩০৩টির দাম কমেছে, আর ২৫টি অপরিবর্তিত আছে। পরিসংখ্যানটা স্পষ্ট বলছে—অধিকাংশ বিনিয়োগকারী নতুন বিনিয়োগের চেয়ে পুঁজি বাঁচাতেই বেশি মনোযোগী হয়েছেন। লেনদেনের পরিমাণ আগের সেশনের ৯.৯ বিলিয়ন টাকা থেকে কমে ৭.৮ বিলিয়ন টাকায় নেমে আসবে। তারল্য সংকোচনের ইঙ্গিত এটা। প্রকৌশল, ওষুধ ও বস্ত্র খাত লেনদেনের শীর্ষে থাকলেও ওই খাতের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দরপতন ঘটবে। সবচেয়ে তীব্র সংশোধনটা আসবে মিউচুয়াল ফান্ড, ভ্রমণ ও জীবন বীমা খাতে।

হরমুজ প্রণালী আর আমাদের পোর্টফোলিও

রোববারের বাজারে সবচেয়ে বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করবে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি—বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল ওই রুট দিয়েই যায়। আর এই প্রণালী এখন উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। বাংলাদেশের আমদানিকৃত জ্বালানি সম্পূর্ণ নির্ভরশীল এই রুটের ওপর। সেখানে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেই দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন খরচ ও মুদ্রাস্ফীতি লাফিয়ে বাড়বে। বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কা, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে নিতে পারে। গোল্ডম্যান স্যাকসের পূর্বাভাস বলছে, ব্রেন্ট ক্রুড ১১৫ ডলারে পৌঁছাতে পারে। চরম ধাক্কায় ১৪০ ডলার পর্যন্ত যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানি-নির্ভর উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফার মার্জিন সংকুচিত হবে। এই প্রত্যাশাই বৃহস্পতিবারে প্রকৌশল ও টেক্সটাইল খাতের পতন ঘটিয়েছে।

সামষ্টিক অর্থনীতি: কঠিন বাস্তবতা, কিন্তু কিছু স্বস্তিও আছে

বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি এখন জটিল একটা অধ্যায় পার করছে। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ প্রতিবেদনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নামিয়ে এনে ৩.৯ শতাংশ করা হয়েছে। কারণ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ মুদ্রাস্ফীতির কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি ৮.৭১ শতাংশ। ফেব্রুয়ারির ৯.১৩ থেকে কিছুটা কমলেও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ থাকবেই। প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বজায় রেখে রেপো রেট ১০ শতাংশে ধরে রেখেছে। উচ্চ সুদের হার শেয়ার বাজারের জন্য নেতিবাচক। বড় বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বাজার ছেড়ে নিরাপদ আমানত ও বন্ডে চলে যাচ্ছেন। আর তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর ব্যাংক ঋণের সুদ খরচ বেড়ে যাওয়ায় নিট মুনাফা কমছে। ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট আর উচ্চ কলমানি রেট (৯.৯৪ শতাংশ) পুরো অর্থনীতিতে নগদ প্রবাহ শ্লথ করে দিচ্ছে।

তবে কিছু স্বস্তির খবরও আছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলারে। টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রয়েছে ১২২.৩১ টাকায়। এই দুটি বিষয় অর্থনীতির মৌলভিত্তিতে কিছুটা স্থিতিস্থাপকতার ইঙ্গিত দেয়।

ব্যাংক খাত: কী রক্ষাকবচ হতে পারে?

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণ বলছে, রোববারের বাজারে ব্যাংক খাত স্থিতিশীল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হবে। সূচক যখন অনেক পতিত হয়েছে, তখন বড় মূলধনী ব্যাংকের শেয়ার ক্রমশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। সিটি ব্যাংক ২০২৫ সালের জন্য ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, পাশাপাশি রেকর্ড ১ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করেছে। প্রাইম ব্যাংকও ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দিচ্ছে, তাদের মুনাফা ৯১০ কোটি টাকা। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ১১৮ শতাংশ, তারা দিচ্ছে ১৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। এসব সুদৃঢ় মৌলভিত্তির কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ সূচককে ঊর্ধ্বমুখী করার শক্তি জোগাবে।

অন্যদিকে, ওষুধ ও প্রকৌশল খাতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় স্বল্পমেয়াদী সংশোধন আসতে পারে। লিন্ডে বাংলাদেশ ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করলেও বাজারের চাপে এর শেয়ার দরে ওঠানামা করছে। বস্ত্র খাত ত্রিমুখী চাপের মুখে: কাঁচামালের দাম বেড়েছে, সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন আছে, আর বৈশ্বিক চাহিদা কমছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘায়িত হলে এই খাতের রপ্তানি আয় আরও কমে যাওয়ার ঝুঁকি আছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার হাত ধরে সংস্কার

বিএসইসি বাজার সুশৃঙ্খল করতে আর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হুইসেলব্লোয়ার প্রটেকশন রুলস ২০২৬ অনুযায়ী, কোনো অনিয়মের তথ্যদাতা আদায়কৃত জরিমানার ২৫ শতাংশ পর্যন্ত পুরস্কার পাবেন, সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা। এতে বাজারে স্বচ্ছতা বাড়বে। এসএমই বোর্ডে লেনদেনের ন্যূনতম বিনিয়োগের সীমা ৩০ লাখ টাকা থেকে কমিয়ে ১০ লাখ টাকা করার ফলে এ খাতে তারল্য উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। আর মার্জিন ঋণের কড়াকড়ি—স্বল্পমেয়াদে ক্রয়ক্ষমতা কমালেও দীর্ঘমেয়াদে বাজারের শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা আনবে।

বিদেশী বিনিয়োগকারীরা: পালাচ্ছে, নাকি সুযোগ ছেড়ে যাচ্ছে?

বিদেশী বিনিয়োগকারীদের অর্থ তুলে নেওয়ার প্রবণতা ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। ব্রামার ফ্রন্টিয়ারের মতো বড় আন্তর্জাতিক ফান্ড রানার অটোমোবাইলস থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে। অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, ব্র্যাক ব্যাংক ও গ্রামীণফোন থেকেও বিদেশী হোল্ডিং কমানোর খবর আছে। খবরটা উদ্বেগজনক মনে হলেও, দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারীদের জন্য এটা সুযোগ। বিদেশীরা যখন সস্তায় শেয়ার বিক্রি করছে, তখন স্থানীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা মৌলভিত্তির দিক থেকে শক্তিশালী শেয়ারগুলো আকর্ষণীয় দামে কিনে নিতে পারছে। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে ব্লু-চিপ শেয়ারগুলো তাদের ঐতিহাসিক গড় পিই অনুপাতের তুলনায় অনেক কমে ট্রেড করছে। মূল্যায়নের দিক থেকে এটা স্বস্তির।

মনস্তত্ত্বের খেলা: ভীতি না সুযোগ?

পুঁজিবাজার যেমন সংখ্যা ও তথ্যের খেলা, তেমনি মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধও বটে। গত সপ্তাহের পতনে অনেক খুচরা বিনিয়োগকারী আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার বিক্রি করছেন। অথচ ডিএসইর সামগ্রিক পিই অনুপাত নেমে এসেছে ৮.৬-এ। স্পষ্ট বলছে, বাজার অত্যন্ত অবমূল্যায়িত। ইতিহাস বলে, ভূ-রাজনৈতিক ধাক্কা যত দ্রুত আসে, পরিস্থিতি শান্ত হলে বাজার তত দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায়। বৃহস্পতিবার শেষ দিকে কিছু শেয়ারে ক্রেতা ফিরে আসার ঘটনা ইঙ্গিত দেয়—সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যখন বিক্রি করছিলেন, অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীরা নীরবে শেয়ার সংগ্রহ করছিলেন। এই ধারা রোববারও অব্যাহত থাকতে পারে।

রোববার: সতর্ক আশাবাদ

বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা মিশ্র, তবে বেশির ভাগই সতর্ক আশাবাদী। ব্যাপক পতনের পর অনেক শেয়ার আকর্ষণীয় মূল্যে আছে। সুযোগসন্ধানী ক্রেতারা (বারগেইন হান্টার) সক্রিয় হতে পারেন। লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের লেনদেন রেকর্ড তারিখের পর রোববার পুনরায় শুরু হবে—এতে সিমেন্ট খাতে নতুন প্রাণ আসতে পারে। অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার স্পট মার্কেটে লেনদেন করবে। আর ব্যাংক খাতের লভ্যাংশের ইতিবাচক প্রভাব পুরো বাজারকে সবুজ জোনে রাখতে সক্ষম। গত ৪৮ ঘণ্টায় মধ্যপ্রাচ্যে কোনো বড় ধরনের আক্রমণ না হলে বা যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু হলে সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে উত্তেজনা বাড়লে বাজার শুরুতে অস্থিরতা দেখাতে পারে।

বিনিয়োগকারীদের জন্য পরামর্শ

এখন বিনিয়োগকারীদের জন্য কয়েকটি কথা বলব। প্রথমত, আবেগ নিয়ন্ত্রণ করুন, গুজবে কান দেবেন না। আতঙ্কে বিক্রি করে লোকসান নিশ্চিত না করে ভালো মৌলভিত্তির শেয়ার ধরে রাখুন। দ্বিতীয়ত, পোর্টফোলিও ছড়িয়ে দিন—ব্যাংক, ফার্মাসিউটিক্যালস, টেলিকমিউনিকেশনের স্থিতিশীল খাতের পাশাপাশি কিছু গ্রোথ স্টক রাখুন। তৃতীয়ত, লভ্যাংশের ইতিহাস দেখুন। সিটি ব্যাংক বা প্রাইম ব্যাংকের মতো যাঁরা নিয়মিত লভ্যাংশ দেয়, তাঁরা অস্থির সময়েও নির্ভরযোগ্য রিটার্ন দেবে। চতুর্থত, বিনিয়োগযোগ্য টাকার ১০-১৫ শতাংশ নগদ হাতে রাখুন, যাতে দরপতনের সময় কেনার সুযোগ হাতছাড়া না হয়। পঞ্চমত, পুঁজিবাজারকে জুয়া নয়, দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসা হিসেবে দেখুন। ২-৩ বছরের পরিকল্পনা নিন। আর এসএমই বোর্ডের মতো নতুন সুযোগ কাজে লাগান।

শুভ হোক আপনার বিনিয়োগ যাত্রা।

আগামীকাল, ১২ এপ্রিল ২০২৬, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের জন্য একটি নির্ণায়ক মুহূর্ত। একদিকে বৈশ্বিক যুদ্ধের হুমকি, অন্যদিকে দেশের শক্তিশালী আর্থিক খাতের মৌলভিত্তি—এই দোলাচলে বাজার দুলছে। কিন্তু ৮.৬ পিই অনুপাত স্পষ্ট প্রমাণ করে, বিক্রয়চাপ প্রায় চরমে পৌঁছেছে। ক্রেতারা সক্রিয় হওয়ার অপেক্ষায়। ওয়ারেন বাফেটের বিখ্যাত কথাটি মনে রাখবেন: “যখন অন্যরা ভীত থাকে, তখন আপনি সাহসী হোন; যখন অন্যরা লোভী হয়, তখন আপনি সতর্ক হোন।”

স্বল্পমেয়াদী অস্থিরতা থাকবেই। কিন্তু ধৈর্যশীল ও তথ্যভিত্তিক বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশের পুঁজিবাজার লাভজনক গন্তব্য হতে পারে। রোববার সাময়িক ওঠানামা আনতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতার পথে এটা গুরুত্বপূর্ণ একটা ধাপ হবে। আর্থিক বাজারের প্রতিটি সিদ্ধান্ত তথ্য ও কাঠামোগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে নেওয়া উচিত। ঝুঁকি অনিবার্য—কিন্তু সঠিক কৌশল সেই ঝুঁকিকেই মুনাফায় রূপান্তর করতে পারে।

শুভ হোক আপনার বিনিয়োগ যাত্রা।

Leave Your Comments




সম্পাদকীয় এর আরও খবর