প্রকাশিত : ১৮:৩৪
২৫ জুলাই ২০২৫
দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের ৩৪ কোম্পানির মধ্যে ১১টিতে জুন মাসে ০.১০ শতাংশের বেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে। কোম্পানিগুলো হলো-
এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১২ কোটি ২৩ লাখ ৯৩ হাজার ৪৫৫টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১২২ কোটি ৩৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ১৬.৮৪ শতাংশ, যা জুন মাসে ১.২৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮.০৯ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪০.৭১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪১.২০ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ১০ শতাংশ ক্যাশ।
এসিআই ফরমুলেশন
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৭২ লাখ ৫০ হাজার এবং পরিশোধিত মূলধন ৪৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ২১.৯৯ শতাংশ, যা জুন মাসে ০.১৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২.১৮ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৬৬.০২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ১১.৮০ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ২০ শতাংশ ক্যাশ।
অ্যাডভেন্ট ফার্মা
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৩১ লাখ ৩২ হাজার ৭৩২টি এবং পরিশোধিত মূলধন ৯৩ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ১২.২৭ শতাংশ, যা জুন মাসে ০.১৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২.৪৩ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩০.০২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫৭.৫৫ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ১ শতাংশ ক্যাশ।
ইবনেসিনা
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ১২ লাখ ৪৩ হাজার ৬২৭টি এবং পরিশোধিত মূলধন ৩১ কোটি ২৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ২১.৬৬ শতাংশ, যা জুন মাসে ০.১৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১.৮১ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪৪.৬৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৩.৫১ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ৬৩ শতাংশ ক্যাশ।
ইন্দোবাংলা ফার্মা
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৬২ লাখ ৫ হাজার ১৭৮টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১১৬ কোটি ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ১৭.৮৫ শতাংশ, যা জুন মাসে ৪.৮৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২.৭৪ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ২৪.৪৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫২.৮৩ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ০.১০ শতাংশ ক্যাশ।
নাভানা ফার্মা
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৭৪ লাখ ১৬ হাজার ২১৭টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১০৭ কোটি ৪১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ৯.১৬ শতাংশ, যা জুন মাসে ০.২৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৪২ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩১.৬৪ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৯.৬৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৯.৩১ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ১৪ শতাংশ ক্যাশ।
ওরিয়ন ফার্মা
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ২৩ কোটি ৪০ লাখ এবং পরিশোধিত মূলধন ২৩৪ কোটি টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ২০.৯১ শতাংশ, যা জুন মাসে ০.৫০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১.৪১ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩১.৯৮ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.০৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৬.৫৩ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ১০ শতাংশ ক্যাশ।
ফার্মা এইডস
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ৩১ লাখ ২০ হাজার এবং পরিশোধিত মূলধন ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ১৫.৭৭ শতাংশ, যা জুন মাসে ০.৬২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬.৩৯ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ২৩.৫৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬০.০৩ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ২৫ শতাংশ ক্যাশ।
সিলকো ফার্মা
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৩৮ লাখ ৭ হাজার এবং পরিশোধিত মূলধন ১০৩ কোটি ৮০ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ১৫.৮১ শতাংশ, যা জুন মাসে ১.১৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬.৯৭ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩৫.৪৬ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৭.৫৭ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ১ শতাংশ ক্যাশ।
সিলভা ফার্মা
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১৩ কোটি ৬৫ লাখ এবং পরিশোধিত মূলধন ১৩৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ১৫.৯৫ শতাংশ, যা জুন মাসে ০.৮৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬.৮৪ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪৫.২১ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.০১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৭.৯৪ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ১ শতাংশ ক্যাশ।
স্কয়ার ফার্মা
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ৮৮ কোটি ৬৪ লাখ ৫১ হাজার ১০টি এবং পরিশোধিত মূলধন ৮৮৬ কোটি ৪৫ লাখ ১০ হাজার টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ১৩.৮৮ শতাংশ, যা জুন মাসে ০.১৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪.০৫ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪৩.৫৯ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৫.১৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৭.২২ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ১১০ শতাংশ ক্যাশ।
৫ কোম্পানিতে কমেছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ
ফার্মা ও রসায়ন খাতের ৩৪ কোম্পানির মধ্যে ৫টিতে জুন মাসে ০.১০ শতাংশের বেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে। কোম্পানিগুলো হলো-
একমি ল্যাবরেটরিজ
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ২১ কোটি ১৬ লাখ ১ হাজার ৭০০টি এবং পরিশোধিত মূলধন ২১১ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ৩০.০০ শতাংশ, যা জুন মাসে ০.১০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৯.৯০ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪২.৩৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৭.৭২ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ৩৫ শতাংশ ক্যাশ।
বিকন ফার্মা
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ২৩ কোটি ১০ লাখ এবং পরিশোধিত মূলধন ২৩১ কোটি টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ৩৯.০২ শতাংশ, যা জুন মাসে ০.১২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৮.৯০ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩৯.৮৬ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ২১.২৪ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ২০ শতাংশ ক্যাশ।
সেন্ট্রাল ফার্মা
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৮ লাখ ৮৪৪টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১১৯ কোটি ৮০ লাখ ১০ হাজার টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ৭.৯১ শতাংশ, যা জুন মাসে ০.৬২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৭.২৯ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৭.৬৭ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৮৫.০৪ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য কোনো ডিভিডেন্ড দেয়নি।
ওরিয়ন ইনফিউশন
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬০টি এবং পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ১৪.৭৫ শতাংশ, যা জুন মাসে ১.৬৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৩.১০ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪০.৬১ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.০৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৬.২৪ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ১২ শতাংশ ক্যাশ।
ওয়াটা কেমিক্যাল
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৪৮ লাখ ২২ হাজার ৬১৮টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১৪ কোটি ৮২ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে মে মাসে ছিল সর্বোচ্চ ৩৮.৯৯ শতাংশ, যা জুন মাসে ০.৪০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৮.৫৯ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩৬.৪১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৫.০০ শতাংশ শেয়ার।
সর্বশেষ ৩০ জুন, ২০২৪ অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড দিয়েছে ১২ শতাংশ ক্যাশ।