প্রকাশিত :  ১২:২৭
১৭ মে ২০২৩

বোর্ড সভার তারিখ জানালো দুই বিমা কোম্পানি

বোর্ড সভার তারিখ জানালো দুই বিমা কোম্পানি

ডলারের দাম বেড়েই চলেছে। আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে গত সোমবার ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা দরে ডলার বিক্রি হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ডলারের জন্য গুনতে হয়েছে ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা। সর্বশেষ ৭ মে ডলারের দর ১০৮ টাকায় উঠেছিল। সোমবারের আগে এটিই ছিল এই মার্কেটে ডলারের সর্বোচ্চ দর। রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে ডলারের দরও ধারাবাহিকভাবে বাড়িয়ে চলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিদেশি মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকগুলোর সংগঠন বাফেদা।

এক ব্যাংক অন্য ব্যাংকের কাছে যে দরে ডলার বিক্রি করে সেটিকেই ইন্টার ব্যাংক এক্সচেঞ্জ রেট বা আন্তব্যাংক ডলার লেনদেন রেট বলা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সর্বনিম্ন ১০৭ টাকা ২৬ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা দরে ইন্টার ব্যাংকে ডলার কেনাবেচা করেছে। ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, মূলত রেমিট্যান্সের রেট বাড়িয়ে দেয়ায় ইন্টার ব্যাংকে ডলারের রেট বেড়ে গেছে। গত ৩০ এপ্রিল ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ অথরাইজড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) রেমিট্যান্সের দর আরও ১ টাকা বাড়িয়ে ১০৮ টাকায় নির্ধারণ করে। এর আগে প্রায় ৬ মাস রেমিট্যান্সের ডলারের দর ১০৮ টাকা ছিল। যদিও মার্চ মাসে বেশি দর দিয়েও রেমিট্যান্স এনেছে বেশ কিছু ব্যাংক। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে এবিবি-বাফেদা ডলারের দর নির্ধারণ করছে।

নিয়ম অনুযায়ী রেমিট্যান্সের ডলারের দর থেকে সর্বোচ্চ ৫০ পয়সা যোগ করে ডলার বিক্রি করা যায়। তবে ব্যাংকের হিসাবের খাতায় সেটিকে ফরেক্স গেইন হিসাবে দেখাতে পারে না ব্যাংকগুলো। বিভিন্ন চার্জ হিসাবে এই অতিরিক্ত টাকা নেয়া যায়। সে হিসাবে রেমিট্যান্সের ডলারের রেট বিবেচনায় ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা দরে নিতে পারে।

এসব কারণে ইন্টার ব্যাংকে ডলারের লেনদেন অনেক কম। অন্য সময়ে যেখানে ১৫-২৫ মিলিয়ন ডলার লেনদেন হতো, সেখানে এটি এখন ১-২ মিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।


Leave Your Comments




পর্ষদ সভা এর আরও খবর